আইসিসি-পিসিবির সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের ‘দুই জয়’



 লাহোরে ঝটিকা সফর থেকে জোড়া জয় নিয়ে ফিরেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলাম বুলবুল। আইসিসির পক্ষ থেকে নিশ্চয়তা মিলেছে কোনো শাস্তি না হওয়ার। একইসঙ্গে একটি বৈশ্বিক আসরও আয়োজনের সুযোগ পাবে বাংলাদেশ।




নিরাপত্তা ইস্যুতে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়া ও পরে এর প্রেক্ষিতে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে পাকিস্তানের অস্বীকৃতি জানানোকে কেন্দ্র করে রোববার লাহোরে হয় আইসিসি, বিসিবি ও পিসিবির ত্রিপক্ষীয় বৈঠক।




যা শেষে বাংলাদেশের জন্য দুটি ইতিবাচক খবর দিয়েছে আইসিসি। আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সেই ব্যাপারে জানিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্তা সংস্থা। নিচে বিজ্ঞপ্তি থেকে হুবহু তুলে ধরা হলো




বিসিবির জন্য কোনো জরিমানা বা শাস্তি নয়




এই বিষয়ে একমত হওয়া গেছে যে, বর্তমান বিষয়ের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওপর কোনো আর্থিক, ক্রীড়াগত বা প্রশাসনিক জরিমানা আরোপ করা হবে না।




একইসঙ্গে এটিও সম্মত হওয়া গেছে যে, বিসিবি চাইলে বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটি (ডিআরসি)-র কাছে যাওয়ার অধিকার সংরক্ষণ করে। এই অধিকার বর্তমান আইসিসি বিধিমালার আওতায় বিদ্যমান এবং অক্ষুণ্ন থাকবে।




আইসিসির দৃষ্টিভঙ্গি নিরপেক্ষতা ও ন্যায়সংগততার নীতিতে পরিচালিত এবং শাস্তির পরিবর্তে সহায়ক সমর্থন প্রদানের যৌথ উদ্দেশ্যকে প্রতিফলিত করে।




২০২৮ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন




এই সমঝোতার অংশ হিসেবে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০৩১–র আগে বাংলাদেশ একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন করবে, যা আইসিসির প্রচলিত আয়োজক নির্বাচন প্রক্রিয়া, সময়সূচি ও পরিচালনাগত শর্তাবলীর সাপেক্ষে হবে।




এটি আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশের সক্ষমতার ওপর আস্থার প্রতিফলন এবং দেশের ক্রিকেট উন্নয়নে আইসিসির সদস্যদের মধ্যে অর্থবহ আয়োজক সুযোগ প্রদানের প্রতিশ্রুতিকে আরও জোরালো করে।




আইসিসির প্রধান নির্বাহী সঞ্জোগ গুপ্ত বলেন, 


“বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি দুঃখজনক, তবে এটি একটি মূল ক্রিকেট জাতি হিসেবে বাংলাদেশের প্রতি আইসিসির দীর্ঘস্থায়ী অঙ্গীকারকে কোনোভাবেই পরিবর্তন করে না।”



“বিসিবিসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আমরা ক্রিকেটের বিকাশ নিশ্চিত করতে এবং খেলোয়াড় ও সমর্থকদের জন্য ভবিষ্যৎ সুযোগ আরও শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশ একটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ক্রিকেট ইকোসিস্টেম, যা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, প্রতিযোগিতামূলক উন্নয়ন ও বৈশ্বিক সংযুক্তির যোগ্য- এটি কোনো স্বল্পমেয়াদি ব্যাঘাতে সংজ্ঞায়িত হয় না।”

Post a Comment

Previous Post Next Post